পৃষ্ঠাসমূহ


প্রথম ভায়লিন ক্লাস।

প্রথম ভায়লিন ক্লাস। শিক্ষিকা নিজ গৃহে ক্লাস নেন। আমি বাসায় ঢুকে দেখলাম হেজাব পরা একটা মেয়ে বসে আছে। আমাকে দেখে মেয়েটা একটু জরসর হয়ে বসল। পাশেই তার বাবা, তিনি একটু শক্ত হয়ে বসলেন। শিক্ষিকা এসে তার ছোটখাট ইন্টারভিউ নিলেন। মেয়েটি মাত্র দশম শ্রেনী উতরাল। শখের বসে শিখতে আসা, বাবা কিছুটা নারাজি। এবার আমার পালা। ম্যাডাম শুধু জিজ্ঞেস করল আমি তার ঠিকানা কোথায় পেলাম? হয়ত সিওর হতে চাইছেন আমি তাকে হাত পা বেধে... সব ডাকাতি করে নিয়ে যাব না। ইতোমধ্যে বাবাজির মুখ আরও গম্ভীর। মনেমনে হয়ত হাত কামরাচ্ছেন কেন যে মেয়েকে নিয়ে আসছেন। আমি তখন ভাবছি বাবাজি কে আরেকটু টাইট দেই। ম্যাডাম ক্লাস নিচ্ছেন আমি অনর্থক প্রশ্ন করছি হাসাহাসি করছি। বাবাজি কে দেখে মনে হল -আমি কই আইলাম আমার অবলা মাইয়াটারে লইয়া। আমার মনে হচ্ছিল এত ইনোসেন্ট বাচ্চা একটা মেয়ে তাও বাবা মাকে কত টেনশনে থাকতে হয়। আর সামাজিক অবস্হা দিনদিন অস্হির হয়ে যাচ্ছে। ইভটিজিং রেপ কত বাধা। বাংলাদেশে শিক্ষার কত ব্যবস্হা। মোটামুটি সব ঘরেই এখন বর্নমালা ঢুকে গেছে। তাহলে আমরা শিক্ষিত হচ্ছি না কেন? নিজেদের ভেতর মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছে না কেন? তবে ক্লাস শেষে বাবাজি আর আমি বসে বসে বাংলাদেশের খেলা দেখলাম। বরফ একটু গলেছে মনে হচ্ছে। তিনি হয়ত ভাবছেন ডাকাতের মত চেহারা হলেও আমি ততটা ভয়াবহ কিছু করব না.....

কোন মন্তব্য নেই: