বারান্দায় দাড়িয়ে সিগারেট টানতে টানতে হঠাৎ করে আকাশে চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি বেশ বড়সড় একটা চাঁদ। সমুদ্র যাত্রায় নিয়মিত চাঁদের বাহারি রূপের খুঁটিনাটির খবর রাখলেও এই ইট কাঠের নগরে ঢুকলেই আমার মধ্যে যান্ত্রিকতা প্রবেশ করে। যাই হোক বুঝলাম দু একদিন আগে পূর্ণিমা ছিল। চাঁদ সবসময় সব রূপেই সুন্দর। আজও তাই মনে হল। সাথে সাথে যে নতুন প্রশ্নটা মাথায় উকি দিও তা হচ্ছে সে কেন সুন্দর? একটাই মাত্র চাঁদ তাই? উহু উওরটা মনমত হচ্ছে না। চাঁদের ধার করা আলো সুন্দর তাই? মানতে ইচ্ছা করছে না। চাঁদের কলঙ্ক তাকে সৌন্দর্য দিয়েছে? তা কি করে হয়? তবে তো পৃথিবীর তাবৎ চোর বদমাশ সাফারি সুট পরে ঘুরে বেড়ালে বাহারি কথা বললে সুন্দর হয়ে যেত। অবশ্য এমন সুন্দরও সমাজে আছে। সময় গেলে যাদের মুখোশ খুলে যায়। অনেকটা সেই কাকের ময়ূর সাজার মত ব্যাপার আর কি।
চাঁদটা সুন্দর কেন জান? কারণ সে একা। শত সহস্র কোটি বছরের একাকীত্বের অভিশাপ চাঁদের বুকে। এমন কি নক্ষত্র গুলো পর্যন্ত এমন নিষ্ঠুর যে চাঁদের আলো যত বেশী হয় ততই তারা দূরে সরে যায় অথবা অদৃশ্য হয়ে যায়। আর প্রতিটি মানুষের বুকের অতল গহীনে বাসা বেধে আছে একই রকম শত সহস্র কোটি বছরের একাকীত্বের অভিশাপ। তাই প্রতিটি মানুষ নিজের ছায়াকে দেখে অবাক বিস্ময়ে। আর চাঁদ প্রতিটি মানুষের কাছেই সুন্দর। যেমন প্রতিটি অ-সংসারী সন্ন্যাসী। তাই ভাবছি আমিও সন্ন্যাস নেব। রুদ্রাক্ষের মালা আর চন্দনের তিলক পড়ব। মায়া কাটিয়ে মহামায়ার কোলে আশ্রয় নেব......
চাঁদটা সুন্দর কেন জান? কারণ সে একা। শত সহস্র কোটি বছরের একাকীত্বের অভিশাপ চাঁদের বুকে। এমন কি নক্ষত্র গুলো পর্যন্ত এমন নিষ্ঠুর যে চাঁদের আলো যত বেশী হয় ততই তারা দূরে সরে যায় অথবা অদৃশ্য হয়ে যায়। আর প্রতিটি মানুষের বুকের অতল গহীনে বাসা বেধে আছে একই রকম শত সহস্র কোটি বছরের একাকীত্বের অভিশাপ। তাই প্রতিটি মানুষ নিজের ছায়াকে দেখে অবাক বিস্ময়ে। আর চাঁদ প্রতিটি মানুষের কাছেই সুন্দর। যেমন প্রতিটি অ-সংসারী সন্ন্যাসী। তাই ভাবছি আমিও সন্ন্যাস নেব। রুদ্রাক্ষের মালা আর চন্দনের তিলক পড়ব। মায়া কাটিয়ে মহামায়ার কোলে আশ্রয় নেব......
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন